
বাংলাদেশে লিভার রোগ চিকিৎসা ও শিক্ষার প্রসারে অসামান্য অবদান রাখা অধ্যাপক ডা. আব্দুল মবিন খানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শ্রদ্ধা ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১ নভেম্বর) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে তাঁর অবদান ও কর্মনিষ্ঠা স্মরণ করেন সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা।
বক্তারা বলেন, অধ্যাপক মবিন খান দেশের লিভার চিকিৎসার অগ্রদূত। তাঁর প্রচেষ্টায় দেশের বিভিন্ন মেডিকেলে হেপাটোলজি বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়, যার ধারাবাহিকতায় এখন পর্যন্ত ১৩০ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরি হয়েছেন, যারা দেশ-বিদেশে সাফল্যের সঙ্গে কাজ করছেন।
সভাপতির বক্তব্যে বিএমইউর ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম বলেন, সময়ের প্রতি নিষ্ঠা, নেতৃত্বের দক্ষতা ও অদম্য পরিশ্রমে অধ্যাপক মবিন খান ছিলেন অনন্য। তিনি ক্লিনিক্যালি ছিলেন দক্ষ চিকিৎসক, প্রশাসনিকভাবে ছিলেন দূরদর্শী, আর শিক্ষক হিসেবে ছিলেন অনুকরণীয়।
তিনি আরও বলেন, যেভাবে তিনি কাজের ক্ষেত্রে নিখুঁত ছিলেন, তেমন উদাহরণ খুব কমই দেখা যায়। তাঁর অসমাপ্ত কাজগুলো এগিয়ে নিতে আমাদের সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে।
বিএমইউর প্রো-ভিসি (শিক্ষা ও গবেষণা) অধ্যাপক ডা. মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেন, তিনি ছিলেন একাগ্রচিত্ত, কর্মনিষ্ঠ ও আন্তর্জাতিকভাবে দক্ষ চিকিৎসক। গবেষণা ও শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
বক্তারা বলেন, অধ্যাপক মবিন খান কেবল চিকিৎসক নন, তিনি ছিলেন একজন পথপ্রদর্শক। তাঁর হাতে গড়া হেপাটোলজি বিভাগ ও চিকিৎসক সমাজ আজ তাঁর দেখানো পথেই এগিয়ে চলছে।
মন্তব্য করুন