
গাজা উপত্যকায় যুদ্ধের স্থায়ী অবসানের লক্ষ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে শুরু হওয়া নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার ইসরায়েলে পৌঁছেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তিনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করবেন। এর আগে সোমবার ট্রাম্পের দুই বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
রবিবার গাজায় নতুন সহিংসতার পর ১২ দিন ধরে কার্যকর থাকা যুদ্ধবিরতি ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। ইসরায়েল জানায়, হামাসের এক হামলায় তাদের দুই সেনা নিহত হয়েছেন। এর জবাবে ইসরায়েলি সেনারা গাজায় বিমান হামলা চালায়।
এ পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখতে ও গাজা শান্তি পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপ শুরু করতে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সসহ দুই বিশেষ দূতকে ইসরায়েলে পাঠান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
সোমবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, “যুদ্ধবিরতি এখনও কার্যকর আছে।” তবে তিনি হামাসকে সতর্ক করে দেন, চুক্তি ভঙ্গ করলে তাদের “সম্পূর্ণ নির্মূল” করা হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের সূত্রগুলো জানিয়েছে, শান্তি পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপে গাজায় অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন গঠন, আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েন, ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
প্রথম ধাপের ভিত্তিতেই বর্তমান যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। তবে মার্কিন কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু যুদ্ধবিরতি থেকে সরে গিয়ে আবারও পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরু করতে পারেন।
ইসরায়েলি পার্লামেন্ট নেসেটে সোমবার দেওয়া ভাষণে নেতানিয়াহু বলেন, হামাসের স্পষ্ট যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জবাবে ইসরায়েল গাজায় ১৫৩ টন বোমা নিক্ষেপ করেছে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের এক হাতে অস্ত্র, অন্য হাতে শান্তির আহ্বান। দুর্বলদের সঙ্গে নয়, শক্তিশালীদের সঙ্গেই শান্তি স্থাপন করা হয়। আজ ইসরায়েল আগের যেকোনও সময়ের চেয়ে শক্তিশালী।
সূত্র: বিবিসি
মন্তব্য করুন