
২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস শিক্ষার্থীদের জন্য আর কোনো মাইগ্রেশন হবে না বলে নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. মো. মহিউদ্দিন মাতুব্বর।
শনিবার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকে তিনি জানান, চতুর্থ মাইগ্রেশন নীতিমালার মধ্যে নেই। গত বছর বিশেষ বিবেচনায় দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু এ বছর সরকার তা দেয়নি। এখন ভর্তির কার্যক্রমও শেষ, তাই আর কোনো মাইগ্রেশন হবে না।
তিনি আরও জানান, বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতে এখনো প্রায় ৪৬০টি আসন ফাঁকা, তবে এ বিষয়ে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের করার কিছু নেই।
অন্যদিকে, সরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতেও ৫০টির বেশি আসন শূন্য রয়েছে। বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত কোটার অন্তত অর্ধেক আসনও পূরণ হয়নি।
অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকা শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, আগের মতো চতুর্থ দফা মাইগ্রেশন ও বেসরকারি কলেজে দ্বিতীয় দফায় ভর্তি চালু না হলে অনেক মেধাবী ‘সেকেন্ড টাইমার’ শিক্ষার্থী অনিশ্চয়তায় পড়বেন।
অপেক্ষমাণ তালিকার এক শিক্ষার্থী বলেন, আর মাত্র পাঁচজন ভর্তি হলেই আমি সরকারি মেডিকেলে পড়তে পারতাম। চতুর্থ মাইগ্রেশনের আশায় বেসরকারিতেও ভর্তি হইনি, এখন দুই দিকেই সুযোগ হারালাম।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, নীতিমালা অনুযায়ী ৪৫ দিনের মধ্যে তিন দফা মাইগ্রেশন সম্পন্ন হওয়ার কথা, কিন্তু তা যথাসময়ে হয়নি। তাই তারা দাবি করছেন, গত দুই বছরের মতো এবারও চতুর্থ মাইগ্রেশন দিতে হবে এটা আমাদের ন্যায্য অধিকার।
তারা আরও বলেন, বিদেশি শিক্ষার্থীদের কোটায় ফাঁকা আসনগুলোয় দেশীয় শিক্ষার্থীদের ভর্তি করার উদ্যোগ নেওয়া উচিত ছিল, কিন্তু স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয় সে বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
মন্তব্য করুন