
বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ মানসিক চাপ, হতাশা ও বিষণ্নতার কাছে হার মানেন। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, দেশে প্রতিবছর প্রায় ১০ থেকে ১৪ হাজার মানুষ আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। অন্যদিকে আঁচল ফাউন্ডেশনের তথ্য বলছে, কেবল ২০২৪ সালেই দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ৩১০ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন।
এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেই আজ (১০ সেপ্টেম্বর) পালিত হচ্ছে বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আত্মহত্যা সচরাচর হঠাৎ করে ঘটে না—তার আগে কিছু সংকেত দেখা যায়। এগুলো লক্ষ করলে পরিবার, বন্ধু কিংবা সহপাঠীরা প্রিয়জনকে সময়মতো সহযোগিতা করতে পারেন।
১. বারবার হাল ছেড়ে দেওয়া বা বেঁচে থাকার ইচ্ছা না থাকা নিয়ে কথা বলা।
২. অতিরিক্ত দুঃখ বা নিরাশা প্রকাশ করা।
৩. ঘুম ও খাওয়াদাওয়ার ধরণে পরিবর্তন—হঠাৎ অতিরিক্ত কম বা বেশি ঘুমানো।
৪. প্রিয় কাজগুলোতে আগ্রহ হারানো, বন্ধুদের থেকে দূরে সরে যাওয়া।
5. ঝুঁকিপূর্ণ কাজের প্রবণতা যেমন: হঠাৎ রাগান্বিত হওয়া বা বেপরোয়া আচরণ।
৬. মৃত্যু নিয়ে বারবার কথা বলা বা আত্মহত্যা বিষয়ক তথ্য খোঁজা।
মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, এসব লক্ষণ দেখা গেলে তার সঙ্গে খোলামেলা কথা বলা, সহানুভূতি দেখানো এবং প্রয়োজনে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের কাছে নিয়ে যাওয়া জরুরি। পাশাপাশি আত্মহত্যা নিয়ে কুসংস্কার বা ভীতিকে কাটিয়ে সাহায্যের হাত বাড়ানোই পারে বড় ধরনের বিপদ এড়াতে।
মন্তব্য করুন