
আশি-নব্বইয়ের দশকে নেপালের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জয়ের স্মৃতি থাকলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আর সেই ধারায় নেই বাংলাদেশ। দীর্ঘ পাঁচ বছর জয়শূন্য এবং চার বছর ড্রবিহীন থাকার পর অবশেষে কাঠমান্ডুর দশরথ স্টেডিয়ামে স্বাগতিক নেপালের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছে জামাল ভূঁইয়ারা।
শনিবার অনুষ্ঠিত এই ফিফা প্রীতি ম্যাচটি মূলত আগামী অক্টোবরে অনুষ্ঠিতব্য এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই আয়োজন করা হয়। ম্যাচে কোনো গোল না হলেও বাংলাদেশ ফুটবলপ্রেমীরা অন্তত হারের শঙ্কা থেকে মুক্তি পেয়ে স্বস্তি পেয়েছেন।
২০২২ সালে সর্বশেষ মুখোমুখি লড়াইয়ে বাংলাদেশ নেপালের কাছে ৩-০ গোলে হেরেছিল। সেই তুলনায় এবারের ড্র নিঃসন্দেহে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে। বিশেষ করে নিয়মিত গোলরক্ষক মিতুল মারমার অনুপস্থিতিতে অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা সুজন হোসেন ভালোভাবে দায়িত্ব সামলেছেন। যদিও নেপাল একাধিক আক্রমণ চালিয়েছে, পরিষ্কার কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি।
প্রথমার্ধে বাংলাদেশ ম্যাচের সেরা সুযোগটি পেয়েছিল। ৩৬ মিনিটে রহমত মিয়ার লম্বা থ্রো ইন ধরতে গিয়ে নেপালের গোলরক্ষক কিরণ বল ফসকে ফেলেন। বল বাংলাদেশি ফরোয়ার্ডের সামনে আসলেও ফাঁকা পোস্টে বল পাঠাতে ব্যর্থ হন তিনি।
দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশ খানিকটা গোছানো ফুটবল খেলেছে। বল দখল ও পাসিংয়ে পরিকল্পনার ছাপ ছিল স্পষ্ট। তবে নেপালের খেলোয়াড়রা দীর্ঘদিন ঘরোয়া লিগ না খেললেও প্রায় দেড় মাসের প্রস্তুতিতে মাঠে লড়াই করেছে। অস্ট্রেলিয়ান কোচ ম্যাট রসের অধীনে বিল্ড আপ ফুটবলে মনোযোগ দিয়েছে তারা।
খেলার অন্যতম আলোচিত বিষয় ছিল দশরথ স্টেডিয়ামের মাঠ। সামান্য বৃষ্টিতেই মাঠ ভারী হয়ে যাওয়ায় দুই দলের খেলোয়াড়দের স্বাভাবিক খেলায় সমস্যা হয়। কয়েকজন নেপালি ফুটবলার মাঠে পড়ে আঘাত পেলেও বড় ধরনের ইনজুরি হয়নি।
আগামী ৯ সেপ্টেম্বর একই ভেন্যুতে দুই দলের মধ্যকার দ্বিতীয় ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন