থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে দেশটির সাংবিধানিক আদালত। কম্বোডিয়ার সাবেক নেতা হুন সেনের সঙ্গে ফোনালাপ ফাঁস হওয়ার ঘটনায় তার পদ আগে স্থগিত করা হলেও শুক্রবার (২৯ আগস্ট) চূড়ান্তভাবে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হলো।
আদালতের এই রায়ের পর দেশটির আইনপ্রণেতারা ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারলে নতুন সরকার গঠন করতে পারবেন। তা সম্ভব না হলে নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
২০২৪ সালের আগস্টে মাত্র ৩৭ বছর বয়সে থাইল্যান্ডের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন পেতংতার্ন। তবে এক বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই ক্ষমতা হারালেন তিনি। সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার মেয়ে পেতংতার্ন প্রভাবশালী সিনাওয়াত্রা পরিবারেরই একজন সদস্য।
ফাঁস হওয়া ফোনকলে দেখা যায়, পেতংতার্ন কম্বোডিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী হুন সেনকে ‘আঙ্কেল’ সম্বোধন করছেন। এ সময় তিনি থাই সেনাবাহিনীর সমালোচনা করে বলেন, তাদের কারণেই এক কম্বোডিয়ান সেনা প্রাণ হারিয়েছেন। তিনি হুন সেনকে আরও বলেন, “কোনো কিছু চাইলে আমাকে বলবেন, আমি দেখব।”
গত ১৫ জুনের ওই ফোনকলের সময় থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সীমান্তে উত্তেজনা চরমে ছিল। জাতীয়তাবাদী আবেগ তীব্র থাকার মধ্যে এ ধরনের কথোপকথন দেশজুড়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
বিরোধী দলগুলো অভিযোগ করে, পেতংতার্ন গোপনে দেশের স্বার্থ বিসর্জন দিচ্ছেন। এ অভিযোগের প্রেক্ষিতেই আদালত তাকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেয়।
মন্তব্য করুন