
২৩ জুলাই ২০২৫, পাকিস্তানের বিপক্ষে বড় লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে বাংলাদেশ দল। শুরুতেই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় টাইগাররা। মাত্র ২৫ রানে ৫ উইকেট হারায় সফরকারী দল। পাওয়ার প্লে শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ২৯ রান।
ইনিংসের প্রথম ওভারেই সাজঘরে ফেরেন ইনফর্ম ওপেনার তানজিদ তামিম। পাকিস্তানি পেসার সালমান মির্জার বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন তিনি। যদিও শুরুতে আম্পায়ার আউট দেননি, পাকিস্তানের নেওয়া রিভিউয়ে সিদ্ধান্ত বদলে যায়।
তামিমের দ্রুত বিদায়ের পর বাড়তি দায়িত্ব ছিল অধিনায়ক লিটন দাসের কাঁধে। তবে তিনি প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হন। মাত্র ৮ বলে ৮ রান করে দলকে আরও চাপে ফেলেন লিটন।
চারে নেমে ইতিবাচক শুরু করেছিলেন মেহেদি হাসান মিরাজ। কিন্তু সেটি বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেননি। ফাহিম আশরাফের বলে ক্যাচ দেওয়ার আগে করেন ৮ বলে ৯ রান।
এরপর ইনিংসের পঞ্চম ওভারে আসে আরেকটি ধস। শেহ মেহেদি ও জাকের আলি—দুজনকেই একই ওভারে ফিরিয়ে দেন সালমান মির্জা। ২৫ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চরম বিপদে পড়ে যায় বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপে টপ অর্ডার থেকে মিডল অর্ডার—কারোরই উল্লেখযোগ্য অবদান ছিল না। পাওয়ার প্লে শেষে স্কোরবোর্ডে মাত্র ২৯ রান আর হারানো ৫টি মূল্যবান উইকেট, যা থেকে ঘুরে দাঁড়ানো কঠিনই হবে টাইগারদের জন্য।
দলের ব্যাটিং ধস দেখে প্রশ্ন উঠছে, বড় লক্ষ্য তাড়ার পরিকল্পনা আদৌ কতটা পরিষ্কার ছিল? এখন চোখ থাকবে নিচের সারির ব্যাটারদের দিকে—তারা কি কিছুটা সম্মানজনক স্কোর এনে দিতে পারবেন? নাকি বাংলাদেশের পরিণতি হবে একতরফা পরাজয়?
সকলের নজর এখন দলের বাকি ব্যাটারদের দিকে।
মন্তব্য করুন