জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুই শীর্ষ নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ এবং সারজিস আলম দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান আবদুল মোমেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে কিছু অভিযোগ লিখিত আকারে জমা দিয়েছেন। বুধবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে গিয়ে তাঁরা এই অভিযোগ জমা দেন।
দুদক থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, “আমরা কিছু অভিযোগ নিয়ে এসেছি, যা লিখিত আকারে জমা দিয়েছি।” তবে অভিযোগের বিস্তারিত জানতে চাইলে তিনি বিষয়টিকে ‘অতিগোপনীয়’ বলে উল্লেখ করেন। হাসনাত বলেন, “যদি এখন কনফিডেনশিয়াল বিষয় প্রকাশ করি, তাহলে আর গোপনীয়তা থাকে না। এতে অপরাধীরা সতর্ক হওয়ার সুযোগ পাবে।”
এ বিষয়ে উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেন, “দুদক অতীতে বিভিন্নভাবে ব্যবহার হয়েছে। কেউ এটি ব্যবহার করে সাম্রাজ্য গড়েছে, আবার কেউ ভুক্তভোগী হয়েছে। আমরা চাই, এসব যেন পুনরাবৃত্তি না ঘটে। আমাদের অভিযোগগুলো আমরা লিখিতভাবে জানিয়েছি। এর বেশি কিছু এখন বলার নেই।”
দুদকের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, এনসিপি নেতাদের দেওয়া অভিযোগের বিষয়ে কমিশন দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবে। তবে অভিযোগগুলো কার বিরুদ্ধে, বা কী বিষয়ে, তা প্রকাশ করা হয়নি।
দুদকে জমা দেওয়া এই অভিযোগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। এনসিপি নেতাদের গোপনীয় মন্তব্য এবং তাঁদের সরাসরি উত্তর এড়িয়ে যাওয়ার কারণে অনেকেই কৌতূহলী হয়ে উঠেছেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুদকের তদন্ত কতটা কার্যকর হবে এবং এর ফলাফল কী দাঁড়াবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
মন্তব্য করুন