আজ বুধবার রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ বিনিয়োগ সম্মেলনে স্টারলিংকের দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করা হবে। সম্মেলনে উপস্থিত অংশগ্রহণকারীরা এই সেবা ব্যবহার করার সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি, স্টারলিংকের ইন্টারনেট সেবার মাধ্যমে পুরো আয়োজন সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, স্টারলিংকের মাধ্যমে দুর্গম অঞ্চলেও উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা সহজলভ্য হবে। এতে গ্রাম ও শহরের মধ্যে ইন্টারনেট সুবিধার বৈষম্য দূর হবে এবং তরুণরা গ্রামীণ এলাকায় থেকেও ফ্রিল্যান্সিং ও অন্যান্য ইন্টারনেটনির্ভর পেশায় কাজ করতে পারবেন। দুর্যোগকালীন দ্রুত যোগাযোগ স্থাপনেও স্টারলিংক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
স্টারলিংক ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) থেকে বিনিয়োগ নিবন্ধন নিয়েছে। গত ২৯ মার্চ তাদের এই নিবন্ধন দেওয়া হয়। তবে দেশে ইন্টারনেট সেবা পরিচালনা করতে হলে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বিটিআরসি) থেকে লাইসেন্স প্রয়োজন। স্টারলিংককে ইতিমধ্যেই বিটিআরসি লাইসেন্স অনুমোদন দিয়েছে।
বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ হারুন বলেন, “স্টারলিংককে ৯০ দিনের মধ্যে কার্যক্রম শুরু করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। এর ভিত্তিতেই ২৯ মার্চ তাদের নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে।”
উল্লেখ্য, স্টারলিংক ইতোমধ্যে দক্ষিণ এশিয়ায় ভুটানে তাদের সেবা চালু করেছে। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতেও স্টারলিংকের কার্যক্রম এগিয়ে চলেছে। ভারতে ইতোমধ্যে দুটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে স্টারলিংক চুক্তি করেছে।
যদিও স্টারলিংক দ্রুতগতির ইন্টারনেট সরবরাহ করে, তবে এর খরচ অন্যান্য সেবার তুলনায় বেশি। দেশভেদে সেবার খরচে ভিন্নতা থাকলেও বাংলাদেশে এটি কীভাবে প্রভাব ফেলবে, তা সময়ই বলে দেবে।
মন্তব্য করুন