শিশু ও তরুণদের মেধা, মনন ও ব্যক্তিত্ব গঠনে খেলাধুলার গুরুত্ব অপরিসীম বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ক্রীড়া শুধু শারীরিক ফিটনেস নয়, এটি প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতা, শৃঙ্খলা, অধ্যবসায়, দায়িত্ববোধ ও কর্তব্যপরায়ণতা গড়ে তোলে বলে মনে করেন তিনি।
রোববার (৬ এপ্রিল) ‘জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস ২০২৫’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে ড. ইউনূস এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, “যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস উদযাপন সত্যিই প্রশংসনীয়। এতে তরুণ সমাজ উৎসাহিত হবে এবং ক্রীড়া চর্চার প্রতি আরও আগ্রহী হয়ে উঠবে।”
এবারের ক্রীড়া দিবসের প্রতিপাদ্য— ‘তারুণ্যের অংশগ্রহণ, খেলাধুলার মানোন্নয়ন’—একে সময়োপযোগী এবং যথাযথ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এই প্রতিপাদ্য দেশের ক্রীড়া উন্নয়নের দিকনির্দেশনা দেবে।”
প্রধান উপদেষ্টা আরও জানান, সরকার ‘তারুণ্যের উৎসব ২০২৫’ আয়োজনের মাধ্যমে দেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীর সৃজনশীলতা ও মেধা বিকাশের প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে, যা সামাজিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত মূল্যবোধকে সমৃদ্ধ করবে।
ড. ইউনূস বাংলাদেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে সাম্প্রতিক অর্জনগুলোর প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশ ক্রিকেটে গৌরব অর্জন করেছে, সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে নারীরা আমাদের মুখ উজ্জ্বল করেছে। দাবা, কাবাডি, হকি ও ফুটবলে তরুণ-তরুণীরা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।”
তিনি আরও বলেন, “আশা করছি, এই দিনটি উপলক্ষে নেওয়া সব কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়িত হবে এবং খেলাধুলার মাধ্যমে আমাদের তরুণরা হয়ে উঠবে আগামী দিনের নেতৃত্ব।”
মন্তব্য করুন