পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো যাত্রীদের ভিড় বাড়ছে সড়ক ও রেলপথে। যদিও এবারের যাত্রাপথ তুলনামূলক নির্বিঘ্ন। রাজধানী ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশন এবং বিভিন্ন বাস কাউন্টারে স্বস্তির চিত্র ফুটে উঠেছে।
রেলে বাড়তি সেবা, ভোগান্তি নেই
কমলাপুর রেলস্টেশনে সকালে দেখা গেছে, পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে রাজধানী ছাড়ছেন অসংখ্য মানুষ। তবে এবার স্টেশনে টিকিট ছাড়া প্রবেশের সুযোগ না থাকায় ভোগান্তি কমেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। স্টেশন ম্যানেজার শাহাদাত হোসেন জানিয়েছেন, নীলসাগর এক্সপ্রেস সোয়া এক ঘণ্টা এবং রূপসী বাংলা এক্সপ্রেস আধা ঘণ্টা দেরিতে ছাড়লেও যাত্রীদের তেমন সমস্যা হয়নি।
রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঈদ উপলক্ষে আজ থেকে পাঁচ জোড়া বিশেষ ট্রেন এবং আন্তঃনগর ট্রেনগুলোতে যুক্ত করা হয়েছে অতিরিক্ত ৪৪টি কোচ। পাশাপাশি জয়দেবপুর ও বিমানবন্দর স্টেশনেও যাত্রী সেবায় বাড়তি ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
সড়কে ভিড় কম, সময়মতো বাস চলাচল
সড়কপথেও দেখা গেছে স্বস্তির ছাপ। বাস কাউন্টারগুলোতে তুলনামূলক ভিড় কম, আর যাত্রীরা সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে পেরে সন্তুষ্ট। অনলাইন টিকিটিং সিস্টেম চালুর ফলে যাত্রী ভোগান্তি অনেকটাই কমেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
নিরাপত্তায় তিন স্তরের ব্যবস্থা
যাত্রাপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র্যাব-৪ তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু করেছে। র্যাব-৪ এর সিও কর্নেল মো. মাহবুব আলম জানান, সড়কে ২৪টি টহল কার্যক্রম পরিচালনা, সাদা পোশাকে র্যাব সদস্যদের উপস্থিতি এবং মোবাইল স্ট্রাইকিং কোর্টের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বাস ভাড়াসংক্রান্ত অভিযোগ পেলে সঙ্গে সঙ্গেই ব্যবস্থা নিচ্ছেন ম্যাজিস্ট্রেটরা।
মহাসড়কে হাইওয়ে পুলিশের কড়া নজরদারি
মহাসড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে চার হাজারের বেশি হাইওয়ে পুলিশ সদস্য নিয়োজিত রয়েছে। এর ফলে যাত্রীরা নিরাপদে এবং স্বাচ্ছন্দ্যে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন।
স্বস্তির ঈদযাত্রা, বাড়ছে আনন্দ
যাত্রাপথে নির্বিঘ্ন ভ্রমণ এবং সময়মতো যাত্রী পরিবহনে সবার চোখেমুখে আনন্দের ছাপ। ঈদের উৎসবের আমেজকে আরও উজ্জ্বল করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এ উদ্যোগ প্রশংসিত হয়েছে।
|
১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
