রাজধানীর মহাখালীর সাততলা বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শতাধিক ঘর পুড়ে গেছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৩০টির বেশি দোকান। মঙ্গলবার (১১ মার্চ) দিনগত রাত ৩টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিটের প্রচেষ্টায় ভোর ৫টা ২০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, ট্রান্সফর্মার বিস্ফোরণের পর সেখান থেকে আগুনের ফুলকি একটি ঘরের ওপর পড়ে। সেখান থেকে দ্রুত আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং ভয়াবহ রূপ নেয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায় শতাধিক ঘর ও দোকান।
ঢাকা বিভাগের ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক মো. সালেহ উদ্দিন জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানের জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।
তিনি বলেন, “আমরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি ট্রান্সফর্মার বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে তদন্তের মাধ্যমে সঠিক কারণ জানা যাবে। আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের কাজও চলছে।”
অগ্নিকাণ্ডের সময় বস্তির বাসিন্দারা চরম আতঙ্কে তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। আগুনে সব হারিয়ে অনেকেই এখন খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, তারা যা কিছু ছিল সব আগুনে পুড়ে গেছে।
উল্লেখ্য, মহাখালী সাততলা বস্তি একটি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত পদক্ষেপের কারণে বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। তবে বস্তির বাসিন্দারা ক্ষয়ক্ষতি পূরণের জন্য সরকারের দ্রুত সহযোগিতা কামনা করেছেন।
মন্তব্য করুন